June 2018
জুন পরিবেশ দিবসের কার্যক্রম হিসেবে আজ ২৮ জুন ২০১৮ সরকারি তিতুমীর কলেজ কর্তৃক বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী আয়োজোন করা হয়। ক্যাম্পাসে নির্মল পরিবেশ অব্যাহত রাখতে এ কর্মসূচী আয়োজন করা হয়।

এ সময়ে "গাছ লাগান,পরিবেশ বাঁচান" শ্লোগানে মুখরিত সরকারি তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গন। কলেজে বিভিন্ন ধরনের ফলজ ও ঔষধি গাছ লাগানো হয়। গাছ লাগানো কর্মসূচীতে সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করেন কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি রিপন মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়োল।  এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় অধ্যক্ষ প্রফেসর আশরাফ হোসেন স্যার সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী।

যে এস সি পরীক্ষায় মানবন্টন পরিবর্তন করা হয়েছে। ৩১/০৫/২০১৮ তারিখে এ ব্যাপারে এক আলোচনা বৈঠক আয়োজন করা হয়। এতে যে এস সি পরিক্ষার ব্যাপারে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আলোচনা করা হয়। তবে বছরের মাঝামাঝি সময়ে পরিক্ষার মানবন্টন ছাত্রছাত্রীদের মাঝে কতোটা গ্রহণযোগ্য হবে সেটি নিয়ে ভাবছেন অবিভাবকেরা। শিক্ষার্থীরা এ ব্যাপারে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখায়। রাজধানীর সবুজ বিদ্যাপীঠ স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী মীম আক্তার রিংকি বলে, এমন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য খুব ই খারাপ একটি সিদ্ধান্ত। যদি বছরের শুরুতে এমন পরিবর্তন করা হতো তবে আমরা সে ভাবে প্রস্তুতি নিতে পারতাম। কিন্তু হঠাত করে এমন পরিবর্তনে ভয়ে আছি। এখন কি ভাবে প্রশ্ন করা হবে সে ব্যাপারে একটি ভয় কাজ করে। যার কারনে আমাদের সকলের পড়া লেখায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

বৈঠকে এনসিসিসি সভার ৪.২ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ পরিবর্তন উপস্থাপন করা হলো।

অনার্স ১ম বর্ষের ফরম পূরণ প্রসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে ফরম পুরনের সময় আগামী ১১/০৭/২০১৮ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। ডাটাএন্ট্রি এর সময় বৃদ্ধি করে ১২/০৭/২০১৮ তারিখ করা হয়েছে। সোনালী সেবার মাধ্যমে টাকা পাঠানোর শেষ তারিখ হিসেবে ১৫/০৭/২০১৮ তারিখ এবং সকল কাগজপত্র জমা দানের শেষ তারিখ ১৮/০৭/২০১৮ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের (নিয়মিত), ২০১৬-১৭, ২০১৫-১৬ ও ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের (অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন) এবং ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের Promoted শিক্ষার্থীগণ F গ্রেড প্রাপ্ত কোর্সে ২০১৮ সালের অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় আবেদনের ফরমপূরণ, ফরম এন্ট্রি নিশ্চয়ন, ফি ও অন্যান্য কাগজপত্র জমাদানের তারিখ নিম্নলিখিত ছক অনুযায়ী বর্ধিত করা হলো



নোটিশ টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুণ

সূত্র: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়য়
জ ২৬ শে জুন,আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি রিপন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল এর নেতৃত্বে এক বিশাল মাদক বিরধি র‍্যালী আয়োজন করেন। এতে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী গণ। র‍্যালীটি সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে শুরু করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে পুনরায় কলেজে প্রবেশ করে। র‍্যালিতে সার্বিক সহযোগিতায় ছাত্রলীগ সক্রিয় ছিলো।



 

উল্লেখ্য যে শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের মাদক বিরোধী অভিযানের স্বপক্ষে রিপন মিয়া ও মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল দীর্ঘদিন যাবত মাদক বিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তাদের নেতৃত্বে সরকারি তিতুমীর কলেজ এখন মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। মুজিব কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে তারা তাদের এ কার্যক্রম অব্যহত রাখবে বলে জানান।

দুরন্ত বার্তা - ঢাকা

সুইটি আক্তার ময়না, পেশায় একজন সাংবাদিক। দৈনিক মাতৃছায়া পত্রিকার রিপোর্টার।

গত 25 আগস্ট, 2017 তারিখ শরিয়ত মতে 10 লক্ষ টাকা ধার্যে সাংবাদিক, মোঃ আকাশ মুন্সী ( সোহেল) এর সঙ্গে , সাংবাদিক সুইটি আক্তার এর বিবাহ হয়" উক্ত বিবাহ ছেলের পক্ষে স্বাক্ষর করে , ছেলের চাচা , ইসরাফিল মুন্ত্রী ও রোমান হাওলাদার , রাজৈর টেকেরহাট " এবং মেয়ে পক্ষের স্বাক্ষর করে মোঃ মোগুল হোসেন বেপারী ও জোসনা আরক্ত, চরমুগরীয়া ।




বিবাহের আগে দুই জন চেনা জানা হয়" পরিচয়ের সূত্র ধরেই তাদের সেই পরিচয় বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু এ বিয়ে সম্পন্ন করার আগে সাংবাদিক আকাশ মুন্সি (সোহেল) জানায় সে 2014 সালে মাদারীপুর কোট নোটারি করে রাজৈর টেকেরহাট নুরুল ইসলাম নামের এক ভ্যান চালকের মেয়ে রেশমি আক্তার কে বিবাহ করে। উল্লেখ্য যে এটি সুইটি আক্তার এর দ্বিতীয় বিয়ে। দুইজনে দুইজনের ব্যাপারে অবগত থেকেই এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। গত 25 আগস্ট 2017 তারি রোজ " শুক্রবার বিবাহ তারিখ ধার্য করে বিবাহ হয়' বিবাহের দুই মাস পরে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা চায় তার স্বামী। কিন্তু সুইটি তার স্বামীকে টাকা দিতে অপরাগ হলে বেশ কয়েক মাস পরে, হটাৎ তার স্বামী উধাও হয়ে যায়। এক থেকে দেড় মাস হলেও তার কোনো খোজ খবর পাওয়া যায় নি। হটাৎ ঢাকা থেকে মোবাইলের মাধ্যমে জানায় সে আবার বিবাহ করেছে। এরপর মাদারীপুর কোর্টে সুইটি আক্তার মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলা চলমান ও দু মাস জেল খেটে জামিনে বের হয়ে আসে তার স্বামী। বর্তমানে তাকে হেও করার জন্য একটি অনলাইনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ বানিয়ে পোষ্ট্ করছে। যার ফলে সুইটি আক্তার এখন সামাজিক ভাবে হেও হচ্ছেন। সেই সাথে তার মানসিক অবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তায় ব্যাপক সমস্যা দেখা দেয়। তিনি এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
ম্প্রতি র‍্যাবের হাতে কাউন্সিলর একরামুল নিহত হওয়া নিয়ে দেশ ব্যাপী এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এমন অবস্থায় সে প্রকৃত পক্ষে দোষী ছিলো কি না সে সম্পর্কে স্পট কোনো বক্তব্য এখনো দেয়া হয়নি। যদি সে দোষী হয়ে থাকে তাহলে তার কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত কেন এখনো জানানো হচ্ছে না সে ব্যাপারে অনেকেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগে লেখা লেখি করেছেন। এ ছাড়া তার পরিবারে থেকে পাওয়া অডিও ক্লিপ নিয়ে শুরু হয়েছে এক বিশাল ধুম্রজালের যেখানে তার মেয়েদের করুণ কণ্ঠে ব্যাথিত সমগ্র বাংলাদেশ। মাননীয় পরিবহণ ও যোগাযোগ মন্ত্রী ওবাইদুল কাদের বলেন যদি সে দোষী না হয়ে থাকে তবে তার নাম যারা লিস্টে দিয়েছে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাহলে কি দেশের আইন শৃঙ্খলা কারো দেয়া লিস্টের ভিত্তিতে চলে? একটি জীবন সামান্য কিছু নয়। সেখানে না জেনে এমন অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে একটি জীবন কি করে শেষ করে দিতে পারে?



এ বিষয়ে নানা প্রশ্নের জবাব এখন সাধারণ জনগন খুজে বেড়াচ্ছে। প্রতিটি অপরাধির ই একটি পরিবার থাকতে পারে। সে যতই অপরাধি হোক পরিবারের কাছে তার মৃত্যু কাম্য না এটা নতুন কিছু না। তবে কিছু তথ্যের ভিত্তিতে একরামুলের মাদকের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে। এ বিষয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট চ্যানেলের ২০১২ সালের করা তালাশ প্রোগ্রামের এক ভিডিওতে দেখা যায় একরামুলের নাম মাদক ব্যাবসায়ির লিস্টে রয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে একরামুল টেকনাফ উপজেলার যুবলীগ সভাপতি, টেকনাফে তার ২টি বাড়ি, চট্টগ্রামে ১ টি বাড়ি, ঢাকায় ১টি ফ্লাট রয়েছে। এছাড়া তার ২টি ব্যাক্তিগত গাড়িও রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ঘটনায় উল্লেখ করা হয় তার বাড়ি ভাড়া ৩ মাসের বকেয়া রয়েছে। এখানে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন যে তার বাড়ি ভাড়া বকেয়া রয়েছে নাকি সে প্রভাব খাটিয়ে বাড়িভাড়া না দিয়ে সেখানে বসবাস করে যাচ্ছে? ঘটনা এখান সকলের মধ্যে একটি আতংকজনক অবস্থা সৃষ্টি করেছে।

কিন্তু এ ব্যাপারে তার স্ত্রী জানান টেকনাফ সদর ইউনিয়নে নাজিরপাড়া নামে একটি গ্রামের মোজাহার মিয়া নামে এক ব্যক্তির তিন ছেলে চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। ঐ এলাকায় একরামুল নামে আরও এক ব্যক্তি রয়েছে, যার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে এবং তার নাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য তালিকায় রয়েছে। ''ভুল তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব তার স্বামীকে হত্যা করেছে বলে দাবী জানান তার স্ত্রী।''

তালাশ টিমের ভিডিওঃ