নের চোখ সুন্দর হলে পৃথিবীর সব সুন্দরকে দেখা যায়, মহাসুন্দর আল্লাহ পাককে বোঝা যায়। ইহকালে যে অন্ধ পরকালেও সে অন্ধ, সে কখনও মাওলার জ্যোতি দেখে না।

একটি অসংবেদনশীল কানের কাছে যেমন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম আল্লাহ শব্দটি গুরুত্বহীন, তেমনি একটি অন্ধ মনের কাছে মহান শিল্পী আল্লাহর গড়া এ সুন্দর পৃথিবী বড়ই অর্থহীন।


কত সুন্দর এ পৃথিবী!সারি সারি পাহাড়-পর্বত,মেঘ থেকে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি ঝরা, কূল-কিনারাহীন সমুদ্র, সবুজ বন-বনানী, নানা আকৃতির নানা বর্ণের পশু-পাখি,বৃক্ষ-লতা, ফুল-ফল, আকাশে কোটি কোটি তারার ঝিলিমিলি,
চাঁদের মিষ্টি রূপ! আল্লাহপাক নিজে সুন্দর, তাই তিনি তাঁর সৃষ্টিকেও বড় সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষকেও তিনি দিয়েছেন সর্বসুন্দর অবয়ব। ‘আমি মানুষকে সর্বসুন্দর অবয়বে সৃষ্টি করেছি।’ (সূরা ত্বীনঃ আয়াত : ৪) এজন্যই সুন্দর ভুবনে বেঁচে থাকার কত না আকুতি মানুষের। তবু তাকে চলে যেতে হয় অর্থ, যশ, স্বজন এবং সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে।


তোমরা যেখানেই থাক না কেন, মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই, যদিও তোমরা কোনো শক্ত ও সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান করো।’ (সূরা নিসা-৭৮)।

জলবুদ্বুদের মতো
মানবজীবন নিতান্তই ক্ষণিকের। চোখের পলকে স্বপ্নে
বিভোর জীবন কখন যে ফুরিয়ে যাবে টেরও পাওয়া যাবে না। তাই প্রতিটি মানুষকে সময় থাকতে তিলে তিলে জীবনের মূল্যায়ন করতে হবে। ক্ষণিকের এ পার্থিব জীবনকে নেক আমলের ফুলে-ফসলে সাজাতে না পারলে দুনিয়াবি জীবন হবে বড় আফসোসের,আর পরকাল হবে ভীষণ
যন্ত্রণাদায়ক।

মহান আল্লাহপাক আমাদের সহীহ পথে চলার ও নেক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

দুরন্ত বার্তা - ঢাকা

Share To:

A-TechBD

Post A Comment:

0 comments so far,add yours