April 2018


ফেইসবুক প্রোফাইল সমস্যা
গত কয়েকদিনে অনেকের প্রফালে সমস্যা হচ্ছে৷ অনেকে বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত কেউ কেউ এ সমস্যাকে কেন্দ্র করে ছড়াচ্ছে নানা গুজব৷ তবে প্রফাইলের সমস্যা আসলে কি???
অনেকেক প্রোফাইল লোড হয় না৷ অনেকের প্রোফাইল পিক সো করে না৷ অনেকে প্রোফাইলে ঢুকতে পারছে না৷
সর্বপরি কম বেশি অনেকেই প্রফাইল সমস্যার সম্মুখিন হয়েছে৷
এর সম্পর্কে যতটুক পেরেছি কারণ অনুসন্ধান করেছি৷


১৷ ফেইসবুক প্রোফাইল গার্ড অপশনটি এ্যাড করার কারনে প্রোফাইলে ছবি ডাউনলোড এমনকি স্ক্রিন শর্ট পর্যন্ত দেয়া যায় না৷ হয়তো এই গার্ড সিস্টেমের কিছু গড়মিলের কারনে এ সমস্যা দেখা দিচ্ছে৷
২৷ প্রোফাইলে ট্যাগ রিভিউ অন থাকলে রিভিউ এর পরিমাণ অতিরিক্ত জমার কারণে হয়তো প্রোফাইল লোড নিতে সময় লাগছে যা সার্ভার টাইম আউট হয়ে ইরোর দেখাচ্ছে৷
৩৷ হয়তো ফেইসবুক কর্তৃরক্ষ ডেভলপের কাজে বিশেষ কোনো পরিবর্তণ আনা হচ্ছে৷
৪৷ হয়তো এসএসএল সিকিউরিটি জনিত কোনো সমস্যা হচ্ছে৷
৫৷ বাংলাদেশের সাবমেরিন নেটোয়ার্কের ত্রুটির কারনেও এ সমস্যা হতে পারে৷
৬৷ ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ হ্যাকারদের কবলে ডিফেন্স জনিত কারণেও হতে পারে৷


সর্বপরি এটি একটি সাময়িক ত্রুটি কাজেই চিন্তার কিছু নেই৷ গুরুত্বপূর্ন বিষয় গুলো ব্যাকাপ রাখাই উত্তম৷
মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে বৈশাখমাসের শুরু থেকে সারা মাস জুড়ে মেলা বসে। মাদারীপুর এর স্থানীয় ভাষায় একে গলুইয়া বলা হয়। লোকমুখে শোনা যায় এই গলুইয়া ১৬০০ শতাব্দীর আগে থেকেই হয়ে আসছে। ঐতিহ্যবাহী এই গলুইয়া একমাসের বেশি স্থায়ী হয়। মাদারীপুর জেলার গ্রামগঞ্জে বৈশাখ মাস এলেই গলুইয়ার (মেলা) আয়োজন শুরু হয়ে যায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ উপভোগ করতে আসে গলুইয়ায়। নানা আয়োজন আর বিভিন্ন খেলাধুলায় ভরপুর এই মেলা। মেলাতে বাচ্চাদের বিভিন্নপ্রকার খেলনা, গৃহসজ্জার সামগ্রী, গৃহস্থালি সামগ্রী, কাপড়চোপড় সহ বাহারি খাবারের পশরা সাজিয়ে রাখে মেলাতে আসা দোকানিরা। ষোড়শ শতাব্দী থেকে এই গলুইয়ার ঐতিহ্য এখনও আছে। তবে মেলায় কিছু দুষ্ট প্রকৃতির লোকের জন্য অনেক সামাজিক মানুষ মেলা বিমুখী হয়ে ওঠে। এখানকার স্থানীয় কিছু বাজে মানুষ বিভিন্নপ্রকার জুয়া নিয়ে আসে। প্রশাসন একটু সঠিকভাবে নজরদারী করলে মাদারীপুর এই ঐতিহ্যবাহী গলুইয়া তার হারানো গৌরব ফিরে পেত। স্থানীয় মুরুব্বীদের থেকে জানা যায় এই মেলার ঐতিহ্য সেই রাজাবাদশাদের খাজানা তোলা থেকে শুরু হয়। এখনও বিভিন্ন দোকানি এই মেলার সময় হালখাতা করে তার বকেয়া আদায়ের জন্য।

আমরা অনুরোধ করছি প্রশাসন যেন এই ঐতিহ্যবাহী মেলায় যেন কোন জুয়ার আসর বা অপ্রতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সে বিষয়ে যথেষ্ট নজর দেন।

টি এম কবির হোসেন





দুরন্ত বার্তা।
হে তরুণ !
অনুধাবন কর। উল্লসিত যৌবনের দুর্বার
আবেগ, তেজদ্দীপ্ত তারুণ্যের উজ্জীবিত ভাবনা, উচ্ছল সমুন্নত বুদ্ধিমত্তা- তুমি কোন পথে ব্যয় করে চলেছো। বিগত অতীতে, বর্তমানের কাল প্রবাহে
তুমি কি তোমার সৃষ্টিকর্তাকে চিনেছো?
অথবা সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতে তুমি কি তোমার স্রষ্টাকে
যথার্থ অনুধাবন করতে সক্ষম? কখনও ভেবে দেখেছো কি? তোমার এ জীবনটা কার দেওয়া?

পিঞ্জরাবদ্ধ তোমার আত্মাটি কার হুকুমে দুনিয়াতে এসেছে,
আবার কার হুকুমে দুনিয়া থেকে বিদায় হবে ?

যাবতীয় সম্ভাব্য শক্তি প্রয়োগেও পারবে কি সেই ফিরে যাওয়া ঠ্যাকাতে?
কখনও কি ভেবে দেখেছো মাতৃগর্ভের সামান্য পানি বিন্দু থেকে কে তোমাকে পূর্ণাঙ্গ মানব শিশুতে রূপায়িত করল?
কে তোমার খাদ্যের ব্যবস্থা করল?
কে তোমার বৃদ্ধি ও বিকাশ
ঘটালো অন্ধকার মাতৃ জঠরে? কেই বা তোমাকে দিনে দিনে বিকশিত করে শৈশব, কৈশর অতিক্রম করে যৌবনের উচ্ছসিত আবেগময় পটভূমিতে এনে দাঁড় করালো ?

তিনিই তো আল্লাহ- যিনি এক ও
অদ্বিতীয়। যার কোন শরীক নেই। তিনিই তো মহা পরাক্রমশালী স্রষ্টা যিনি তোমার জন্ম-মৃত্যুর মালিক।

যিনি তোমার ও সমগ্র জীবকূলের একক প্রতিপালক। মহীয়ান-গরীয়ান- তিনিই সেই
রাজাধিরাজ, যার দিকেই তোমার মৃত্যু পরবর্তী
প্রত্যাবর্তন।

বিচার দিবসের একচ্ছত্র ক্ষমতার
অধিপতি যাবতীয় সৃষ্টি জগতের পরাক্রমশালী নিদ্রা-ক্লান্তি বিহীন স্রষ্টা আল্লাহরই হুকুমে তুমি দুনিয়াতে এসেছো, আবার তাঁরই হুকুমে তুমি দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে !
দয়াময় আল্লাহ তোমাকে খেলার ছলে সৃষ্টি করেন নি। দুনিয়ায় পাঠিয়ে তোমাকে অসহায় ভাবে ছেড়েও দেননি।

তোমার জীবনের উদ্দেশ্য এবং তা অর্জনের পথ তথা সত্য মিথ্যা যাচাই পূর্বক সত্যের দিশা পেতে তিনি যুগে যুগে পাঠিয়েছেন অসংখ্য নবী-রসুল, যাদের শেষ হলেন মুহাম্মাদ (সাঃ)।

সুতরাং তুমি কি সেই মহিমান্বিত আল্লাহ ও তদীয় রসুলের(সাঃ) আনুগত্যকে অপরিহার্য করে নেবে না?

অতএব এসো পবিত্র কুর’ আন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি।
মুহাম্মাদ (সাঃ) হোক আমাদের
একমাত্র আদর্শ। অনুসরণ করি তাদের পথ যাদের উপরে
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি বিরাজমান, পরিহার করি
সেই পথ যে পথে আল্লাহর ক্রোধ ব্যতীত কিছুই পাওনা নেই।

এই মহতি উদ্দেশ্য সামনে রেখে কুর’ আন ও সহীহ হাদীস অধ্যয়নে নিজেকে নিয়োজিত করি, দূরীভূত করি ভ্রান্তি সমূহ, পরিশুদ্ধ করি অন্তরাত্মা
যা জাহান্নামের অযোগ্য এবং জান্নাতের খোরাক।

এসো, পরিশেষে আর একবার দৃঢ়চিত্তে শপথ গ্রহণ করি, আল্লাহ ও তদীয় রসুল(সাঃ) এর একনিষ্ঠ আনুগত্যের।

আল্লাহ আমাদের সহায় হোন ।
আমীন ।
❈❶. আইনের শাসন না থাকা।

❈ ❷. নারীর অশালীন পোশাক

❈ ❸. পুরুষের মানসিক ও নৈতিকতার অবক্ষয়।

❈ ❶. আইনের শাসনঃ
আমার দুঃখ হয়, যেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরধী দলিও নেত্রী নারী, জাতীয় সংসদের স্পিকার নারী ... ,, নারী নীতিসহ অসংখ্য আইন ও সুবিধা নারীর পক্ষেই কথা বলে, সেই দেশে প্রতিদিন প্রতি মূহুর্তে বিরামহীন ভাবে একটার পর একটা নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে, অথচ একটা ধর্ষক ও উপযুক্ত সাস্তি পাচ্ছে না .... !!

➾ যেই দেশে একজন বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রীর প্রতি অন্যায় অবিচার করুক বা না করুক স্ত্রী চাইলে আইনের সহায়তায় স্বামির ১২টা বাজিয়ে ছেড়ে দিতে পারে। সেই দেশের আইন আদালত পুলিশ প্রশাসন ধর্ষণ প্রসঙ্গে এতটা নিশ্চুপ কেন !?! জাতীর প্রশ্ন ??

➾ একটা বা দুইটা ধর্ষক কে যদি শিরোচ্ছেদ করা হতো কিংবা কোমড় পর্যন্ত মাটিতে পুতে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা হতো অথবা ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মৃত্যু দন্ড কার্যকর করা হতো .... ,, বাংলার মাটি থেকে ধর্ষণ নামক শব্দটি চিরতরে মুছে যেত। আমি মনে করি ধর্ষণের অন্যতম প্রধান কারন হচ্ছে, আইনের বাস্তবায়ন না থাকা।

❈ ❷. নারীর অশালিন পোশাকঃ
যখন কোন অশালীন ও যৌন উত্তেজোক পোশাক পরিহিতা যুবতী মেয়েদের দেখে যুবকদের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়, তখন ইচ্ছে হলেই ঐ মেয়ের সাথে দৈহিক সম্পর্কে মিলিত হওয়া সম্ভব নয়। তাই উত্তেজনা মেটাতে বিকল্প পন্থা হিসেবে বেছে নেয় একজন পর্দানশীল নারী ও শিশুকে, দুধের সাধ ঘোলে মেটানোর মত। একটু ভাবলেই বুঝা যায় এখানে ও বেপর্দা ও অশালীন পোশাক পরিহিতা নারীর বলির শিকার হলো পর্দানশীল একজন নারী বা শিশু।

➾ (ক) পর্দানশীল নারী ও শিশু, এরা হচ্ছে স্বাভাবিক সুন্দর রাস্তার মত ত্রুটি মুক্ত।
(খ) বেপর্দা ও অশালীন পোশাক পরিহিতা নারী, এরা হচ্ছে পিচ্ছিল রাস্তার মত।
(গ) চরিত্রবান পুরুষ, এরা হচ্ছে সুস্থ সবল পথিকের মত।
(ঘ) চরিত্রহীন পুরুষ, এরা হচ্ছে প্রতিবন্ধী/পঙ্গু পথিকের মত।

➾ স্বাভাবিক রাস্তা/পর্দানশীল নারী ও শিশুঃ একজন সুস্থ সবল পথিক যেমন স্বাভাবিক রাস্তায় হোচঠ খায় না তেমনি চরিত্রবান পুরুষেরা কখনো পর্দানশীল নারী ও শিশুদের প্রতি কু-দৃষ্টিতে তাকায় না। প্রতিবন্ধী/পঙ্গুদের জন্য যেমন স্বাভাবিক রাস্তাও নিরাপদ নয় সেখানে ও যেমন হোচঠ খাওয়াটা অস্বাভাবি নয়। তেমনি চরিত্রহীন লম্পটদের কাছে পর্দানশীল নারী ও শিশুরা ও নিরাপদ নয়, এরা ও যৌন লালসার শিকার হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

➾ পিচ্ছিল রাস্তা/বেপর্দার নারীঃ এই রাস্তায় সুস্থ সবল পথিক এবং প্রতিবন্ধী/পঙ্গু উভয়েরি হোচঠ খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে প্রতিবন্ধী/পঙ্গুদের জন্য সম্ভাবনা অনেক গুন বেড়ে যায়। চরিত্রহীন প্রতিবন্ধী/পঙ্গু পুরুষ যদি দেখা পায় পিচ্ছিল রাস্তার মত অশালীন পোশাক পরিহিতা আবেদনময়ী নারীর তাহলে তো কোন কথাই নাই। শুধু ফেসবুকের চমক আর সংবাদ পত্রের শিরোনাম ও হেড লাইনের আবিস্কার। এটাই বাস্তব সত্য, পিচ্ছিল রাস্তায় হোচঠ খেয়ে পড়ে গেলে কেউ কখনো পথিকের দোষ দেয় না, সকলে রাস্তারি দোষ দেয়। একজন নারীও যদি রাস্তার মধ্যে পাছাড় খেয়ে পড়ে যায় সেও নিজের কোথায় লেগেছে সেইটা দেখার আগে খুজে রাস্তার দোষ অর্থাৎ রাস্তার মধ্যে খুটা গর্থ বা পিচ্ছিল কি না।

❈ ❸. পুরুষের মানসিক ও নৈতিকতার অবক্ষয়ঃ
অশালীন পোশাক পরিহিতা একটি মেয়ে যখন রাস্তা দিয়ে হেটে যায় হাজার হাজার পুরুষ মানুষ তাকে দেখতে পায় কিন্ত সবাই তো ধর্ষণ করে না, ধর্ষন করে মাত্র দু'একজনে। পুরুষের মানসিক ও নৈতিকতা যদি দায়ী না হতো, একতরফা নারীর অশালীন পোশাক-ই দায়ী হতো তাহলে হাজার বা লাখে দু'একজনে ধর্ষণ করতো না প্রত্যেকটি পুরুষ মানুষেই ধর্ষণ করতো। অশালীন পোশাক পড়া মেয়েটি সর্বপ্রথম যার সামনে পড়তো সেই ধর্ষন করতো।

➾ আজকে যে সকল পুরুষেরা নারীর অশালীন পোশাক ও ধর্ষণ প্রসঙ্গে কথা বলছেন, কই আপনার চোখের সামনে দিয়ে ও তো প্রতিদিন অশালীন পোশাক পরিহিতা কত নারী হেটে যাচ্ছে আপনিতো ধর্ষন করছেন না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই ধর্ষণ করছে। এখানেই তো আপনার আর একটা ধর্ষকের মধ্যে মানসিক ও নৈতিকতার পার্থক্য রয়েছে। এটাই প্রমান করে ধর্ষণের জন্য একতরফা নারীর অশালীন পোশাক-ই দায়ী নয়, পুরুষের মানসিক ও নৈতিকতাও দায়ী।

❈❈ উপসংহারঃ নারীর জন্য যেমন পর্দা ফরজ করা হয়েছে তেমনি পুরুষের ও দৃষ্টি সংযোত রাখতে বলা হয়েছে। অন্যের কাধে দোষ চাপিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। নারী পুরুষ সকলকেই বুজতে হবে আমার জান্নাত জাহান্নাম কারো কর্ম বা পাপ পূণ্যের উপর নির্ভর করে না, আমার জান্নাত জাহান্নাম আমার কর্ম এবং পাপ পূন্যের উপর-ই নির্ভর করে। সূতরাং কে অশালীন পোশাক পড়লো না লেংটা থাকলো, কে ধর্ষণ করলো না নেশা করলো, ভালো করলো না মন্দ করলো সেটা আমার কাছে বড় নয়। বরং আমি কি করলাম সেটাই আমার কাছে বড়।

--- নাইম হোসেন

সংকলনে...এম, রহমান।
সাপ্তাহিক কুইজ ক্যাম্পেইন

উত্তর দাও জিতে নাও মোবাইল রিচার্জ

এক লোক দোকানে গিয়ে একটি ড্রেস দেখল

ড্রেস এর দাম ৯৭ টাকা। সে তার মা এর কাছ থেকে ৫০ টাকা এবং তার বাবার কাছ থেকে ৫০ টাকা ধার নিল।


ড্রেস টি কেনার পরে তার কাছে রইলো ৩ টাকা। তা থেকে সে তার বাবা কে ফেরৎ দিলো ১ টাকা, মা কে ফেরৎ দিল ১ টাকা। তার কাছে রইলো ১ টাকা।


এখন তার মা পাবে ৪৯ টাকা+তার বাবা পাবে ৪৯ টাকা+তার কাছে আছে ১ টাকা


মোট ৪৯+৪৯+১=৯৯ টাকা


তাহলে বাকী ১ টাকা গেলো কই??




কমেন্ট দাতাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।
রকীয়া প্রেমেরটানে এবার মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলাতে আসলাম হোসেন(৩৮) দুলাভাই এর হাত ধরে মেঝ শ্যালিকা (২২) পালিয়েছেন। এতে করে ঐ এলাকাজুড়ে দারুন চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃস্টি হয়। এ ঘটনায় আসলাম এর প্রথম স্ত্রী ও শশুর কালকিনি উপজেলার ডাসার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয়য় এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায় কালকিনি উপজেলার বালীগ্রাম এলাকার সুনমন্দি গ্রামের লালমিয়া জমাদ্দার এর বড় মেয়ের সাথে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার বাইজুরি গ্রামের সাইদ মিয়ার ছেলে আসলামের (৯) নয় বছর আগে বিয়ে হয়।
বৈবাহিক আন্তীয়তার সুত্রে আসলাম তার শশুরবাড়িতে ঘনঘন যাতায়াত করত। যাতায়াত এর এক পর্যায় আসলাম ও তার মেঝ শ্যালিকা পরকীয় প্রেমে জড়িয়ে যায়। এই পরকীয়র সুত্র ধরে সবার চোখ পাখি দিয়ে আসলাম তার প্রথম স্ত্রী ফেলে রেখে শ্যালিকা নিয়ে উদাও হয়। এদিকে তাদের কোন খোজ না পেয়ে আসলামের প্রথম স্ত্রী ও শশুর ডাসার থানায় একট অভিযোগ দায়ের করেন। এবিষয়ে আসলামের প্রথম স্ত্রী বলেন আমার স্বামি আমাকে ফেলে আমার বোনকে নিয়ে পালিয়েছে তাই আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করতে এসেছি। আসলামের শশুর জানান তাদের অনেক খোজাখুজির পর না পেয়ে নিরুপায় হয়ে থানায় ডায়রি করতে এসেছি। তারা কোথায় আছে জানিনা। এবিষয়ে ডাসার থানার এসআই মিথুন বলেন বিষয়টা নিয়ে থানায় একটি অভিযোগ হয়েছে আমরা বিষয়টা খতিয়ে দেখছি।

টি এম কবির হোসেন


দুরান্ত বার্তা, ঢাকা

জ ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জনাব সাইফুর রহমান সোহাগ তার নিজস্ব ফেইসবুক ওয়ালে লিখেন সরকারি চাকুরিতে কোনো কোটা থাকবেনা৷ এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন৷ নিচে তার লেখা হুবহু তুলে ধরা হলো৷

বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যা বলেন তা করেন।
বিগত দিনে কোটা পদ্ধতি সংস্কার নিয়ে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে আজ সকালে আমরা (সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ) মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করি। তিনি বলেন ' সরকারি চাকুরীতে কোন কোটা পদ্ধতি থাকবেনা'। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে ছাত্রসমাজ সাধুবাদ জানায়। অশেষ কৃতজ্ঞতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু



দুরন্ত বার্তা - ১১ এপ্রিল ২০১৮
তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ সম্মেলন, অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় নিলেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

আজ ৯ এপ্রিল ২০১৮, ঐতিহ্যবাহী সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ সম্মেলন। সম্মেলনে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেন নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিন ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম বাসেক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি কাজী মিরাজুল ইসলাম ডলার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মানিক হোসেন মানিক সহ আরো অনেকে।



সম্মেলনে কাজী মিরাজুল ইসলাম ডলার বক্তব্য শেষে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।  সেই সাথে তাকে বিদায় দিতে ছাত্রদের ও কান্না করতে দেখা যায়। কাজী মিরাজুল ইসলাম ডলার ও মানিক হোসেন এর সুষম পরিচালনায় দীর্ঘ ৫ বছর অতিবাহিত করেন তারা। নতুন নেতা কর্মীদের সাদরে গ্রহন করার মতবাদ ব্যাক্ত করে সকলের কাছ থেকে বিদায় নেন তারা।

 

সম্মেলনে আজ সারাদিন ক্যাম্পাস ছিল শ্লোগান মুখোর। ক্যাম্পাসের মুল ফটোক থেকে শুরু করে অডিটরিয়াম সহ ক্যাম্পাস এলাকা শ্লোগানে মুখরিত ছিল। এদের মধ্যে জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল ও মারুফ হোসেন



 

তাদের সমর্থিতরা শ্লোগানে ক্যাম্পাস অঙ্গনে স্লোগানের ঝড় তুলে। মারুফ হোসেন সমর্থিত ছাত্রনেতারা কলেজ থেকে শুরু করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে আবার কলেজ ক্যামাস পর্যন্ত শ্লোগানের হাওয়ায় ভাসিয়ে দেয়। সর্ব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে তাদের নাম।

এ ছাড়া সম্মেলনে রিপন মিয়া, গাজি সবুজ, সহ আরো অনেকের নাম শোনা যায়।

তবে কে হচ্ছেন এবারের ছাত্রনেতা সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা এখনো পাওয়া যায়নি।

দুরন্ত বার্তা - ৯ এপ্রিল ২০১৮

২৬ বছর পর প্রথম বারের মত আনুষ্ঠানিক ভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ সম্মেলন৷ আগামী ০৯ এপ্রিল সরকারী তিতুমীর কলেজে সকাল ১০ঘটিকায় শুরু হবে এ সম্মেলন৷

এ সম্মেলনে সবচেয়ে যে নাম গুলো আলোচিত হচ্ছে তারা হচ্ছেন

১. মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল

২. মোঃ রিপন মিয়া

৩. গাজী হামীদুর রহমান সবুজ

৪. মারুফ হোসেন

সম্মেলন উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণ এখন ব্যানার ফেস্টুন আর নবাগত ছাত্রনেতাদের পদচারনে মুখরিত৷


জানা যায় তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের বিলুপ্ত হতে যাওয়া কমিটির বয়স ৫ বছর প্রায়৷ উক্ত কমিটির সভাপতি ছিলেন কাজী মিরাজুল ইসলাম ডলার৷ এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মানিক হোসেন৷ তাদের সুষম ছাত্র নেতৃত্বে দ্বীর্ঘদিন সুনামের সাথে পরিচালিত হয় ছাত্রলীগ কমিটি৷ আশা, আকাঙ্খা, রাগ অভিমান সব মিলিয়ে হতে যাচ্ছে দ্বীর্ঘ অপেক্ষার সম্মেলন৷



দুরন্ত বার্তা - ৮ এপ্রিল ২০১৮

মাদারীপুরের সদর থানার হুগলী গ্রামের রাস্তায় যাত্রীবাহী ভ্যান ও হাল চাষের ট্রাক্টারের মুখমুখি সংঘর্ষে পা হারালো এস.এস.সি. পরীক্ষার্থী। জানা যায় সে আদিত্যপুর গ্রামের খোয়াজ বাড়ির সাজাহান খোয়াজ এর মেয়ে শুভ আক্তার।

মাদারীপুর এর আলগী স্কুল থেকে এস.এস.সি. পরিক্ষা শেষ করে ঢাকা ছুটিতে বেড়াতে যায়। কিছু দিন পর আজ গ্রামে ফেরার পথে ভ্যানে থাকা মেয়েটির উপর দিয়ে হাল চাষের ট্রাক্টর উঠে যায়। এতে ঘটনা স্থলেই তার ডান পা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।


স্থানীয় বাসিন্দা মমতাজ বেগম তার এই ভয়াবহ অবস্থা দেখে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যাবস্থা করেন। সদর হাসপাতালে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। সেখানকার ডাক্তারগণ তার অবস্থার ভয়াবহতা দেখে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়। মেয়েটি এখন এক পা হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে। ট্রাক্টরের ড্রাইভারকে আটোক করা হলেও তাকে খাদনশি গ্রামের আহাদ নামের এক জনের জিম্মায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে থানায় কোনো ডাইরি করা হয় নি।


 

ভিডিওঃ



 


দুরন্ত বার্তা - ৬ এপ্রিল ২০১৮



আমরা মানুষ, রক্ত মাংসে গড়া স্বাধীন চেতনা সম্পন্ন উন্নত প্রাণী। আমরা যন্ত্র নই। কিন্তু রক্ত মাংস ও স্বাধীনচেতা মননের যিনি স্রষ্টা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা আদায়ের পালা যখন আসে তখনই যান্ত্রিকতা আমাদের ধাওয়া করতে থাকে।

সেই অযু করা থেকেই শুরু। হাতের আঙ্গুল, মুখ, নাক কনুই পর্যন্ত হাত অথবা মাথা মাসাহ করার সময় থেকে নিয়ে পা ধোয়া পর্যন্ত শুধু ধুলোবালি সাফেই মগ্ন থাকে হাত দুটি আর মনটা তখনো দুনিয়ার কাজের ভিড়ে হারিয়ে থাকে।

ইস! যদি ধুলোবালির সাথে সাথে আমার ধৌতকৃত প্রতিটি অঙ্গের পাপ সমূহ এমন ধুয়ে যেতো- কতইনা ভালো হত। সে সুযোগও ছিল। শুধু একটু চাওয়া, তাঁর কাছে যিনি দিতে ক্লান্ত হন না।

আসুন না
সালাতে একটু যত্নবান হই। আমাদের সালাতকে একটু পরিপাটি করে সাজাই। আন্তরিক ও গুনাহ বিধৌতকরনে সক্ষম অযু দিয়েই শুরু হোক পরিশুদ্ধ
সালাতের পথচলা।

এরপর নিয়ত করি এমন সালাতের যা আল্লাহ্র নিকটে গ্রহণযোগ্য হবার দাবীতে
অগ্রণী। তাকবীরে তাহরীমায় হারাম করি দুনিয়ার সবকিছু- সকল খেয়াল নিমগ্ন করি এক আল্লাহ্র প্রতি, যিনি রয়েছেন আপনার সম্মুখেই, যিনি দেখছেন আপনার যান্ত্রিকতামুক্ত আন্তরিকতা।

এরপর সরাসরি চলে যাই আল্লাহ্র অভেদ্য আশ্রয়ে- বিতাড়িত শয়তান হতে। আল্লাহ্র নামে শুরু করি যিনি রহমান, রহিম।

আসুন, আমরা আমাদের গুনাহের মধ্যে এমন দূরত্ব করে নিই, যেমন দূরত্ব আছে পূর্ব আর পশ্চিমের মধ্যে।

পাপ সমূহ এমন ভাবে নিংড়ে নিই, যেমন করে ময়লা কাপড় সমূহ হতে নোংরা নিংড়ে নেওয়া হয়। আমরা আমাদের গুনাগুলিকে বিধৌত করি পানি দ্বারা, বরফ ও শিলাবৃষ্টি দ্বারা। হ্যাঁ, তিনিই এগুলি শিখিয়েছেন, যিনি এগুলি দিতে চান।

অতএব আর দেরী নয়-
আল্লাহ্'র প্রশংসা করি- রহমান, রহিম বিশ্বচরাচরের প্রতিপালক,বিচার দিবসের মালিক যিনি। ঘোষণা করি তাওহীদ এ ইবাদতের। অতঃপর চেয়ে নিই সীরাত্ব এ মুস্তাকীম- সেই পথ যে পথ সলেহীনদের, অভিশপ্ত ও গযবপ্রাপ্তদের পথ হতে পানাহ চাই।

এরপর একে একে সালাতের সকল আরকান আহকামের প্রতি সুবিচার করে বিনয় ও নম্রতাকে সাথী করে তাসলীমের মাধ্যমে সালাত সম্পাদন করি।

আসুন, সালাত আদায় করি- যান্ত্রিক নয়, আন্তরিক ভাবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার ঘোষনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে আজ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষোধ কর্তৃক জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়৷



অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন "বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব, শাজাহান খান এম. পি.(মাননীয় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী)"

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব "মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম"

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারন সম্পাদক "জনাব আসিব খান" সরকারি তিতুমীর কলেজের সাংগঠনিক সম্পাদক "মারুফ হোসেন জয়"

সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের ঐক্যবদ্ধ হবার জন্য আহ্বান করেন জনাব শাজাহান খান৷

সম্মেলনে উপস্থাপনা করেন জনাব "কাজী রুবেল"




জনাব শাহজাহান খান বলেন- যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়নি, যুদ্ধ এখনো চলছে৷



তোমাদের এগিয়ে যেতে হবে৷ রাজাকার আলবদরদের বিরুদ্ধে৷ আজ জঙ্গী, মাদক, নারী নির্যাতনের মাধ্যমে যুব সমাজকে ধ্বঃস করে দেয়া হচ্ছে৷ এদের বিরুদ্ধে সকলকে সচ্চার হতে হবে৷ যে চক্রান্তের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিলো৷ সে ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে বাধার সৃষ্টি করতে সর্বদা তৎপর৷ আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছো৷ তোমাদের যুদ্ধ সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করা৷ এ যুদ্ধে তোমরা এক এক জন সৈনিক৷

বক্তব্য শেষে উপস্থিত সন্তানদের শপথ পাঠ করান মাননীয় মন্ত্রী৷


দুরন্ত বার্তা-৩ এপ্রিল ২০১৮

নিকৃষ্ট মানুষ তারাই, যারা অন্যের ক্ষতি করার জন্য ও বন্ধুদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানোর জন্য কুৎসা রটায় এবং ভালো মানুষের ছিদ্রান্বেষণ করে।
★★★★★ মিশকাত শরীফ★★★★★
নের চোখ সুন্দর হলে পৃথিবীর সব সুন্দরকে দেখা যায়, মহাসুন্দর আল্লাহ পাককে বোঝা যায়। ইহকালে যে অন্ধ পরকালেও সে অন্ধ, সে কখনও মাওলার জ্যোতি দেখে না।

একটি অসংবেদনশীল কানের কাছে যেমন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম আল্লাহ শব্দটি গুরুত্বহীন, তেমনি একটি অন্ধ মনের কাছে মহান শিল্পী আল্লাহর গড়া এ সুন্দর পৃথিবী বড়ই অর্থহীন।


কত সুন্দর এ পৃথিবী!সারি সারি পাহাড়-পর্বত,মেঘ থেকে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি ঝরা, কূল-কিনারাহীন সমুদ্র, সবুজ বন-বনানী, নানা আকৃতির নানা বর্ণের পশু-পাখি,বৃক্ষ-লতা, ফুল-ফল, আকাশে কোটি কোটি তারার ঝিলিমিলি,
চাঁদের মিষ্টি রূপ! আল্লাহপাক নিজে সুন্দর, তাই তিনি তাঁর সৃষ্টিকেও বড় সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষকেও তিনি দিয়েছেন সর্বসুন্দর অবয়ব। ‘আমি মানুষকে সর্বসুন্দর অবয়বে সৃষ্টি করেছি।’ (সূরা ত্বীনঃ আয়াত : ৪) এজন্যই সুন্দর ভুবনে বেঁচে থাকার কত না আকুতি মানুষের। তবু তাকে চলে যেতে হয় অর্থ, যশ, স্বজন এবং সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে।


তোমরা যেখানেই থাক না কেন, মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই, যদিও তোমরা কোনো শক্ত ও সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান করো।’ (সূরা নিসা-৭৮)।

জলবুদ্বুদের মতো
মানবজীবন নিতান্তই ক্ষণিকের। চোখের পলকে স্বপ্নে
বিভোর জীবন কখন যে ফুরিয়ে যাবে টেরও পাওয়া যাবে না। তাই প্রতিটি মানুষকে সময় থাকতে তিলে তিলে জীবনের মূল্যায়ন করতে হবে। ক্ষণিকের এ পার্থিব জীবনকে নেক আমলের ফুলে-ফসলে সাজাতে না পারলে দুনিয়াবি জীবন হবে বড় আফসোসের,আর পরকাল হবে ভীষণ
যন্ত্রণাদায়ক।

মহান আল্লাহপাক আমাদের সহীহ পথে চলার ও নেক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

দুরন্ত বার্তা - ঢাকা